জাতীয়যাচাই চলছে

স্পাইডারম্যান শিশুর শৈশবের আর্তনাদ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
স্পাইডারম্যান শিশুর শৈশবের আর্তনাদ
এক নজরে
  • একসময় শিশুর শৈশব মানেই ছিল উঠোনজুড়ে দৌড়ঝাঁপ, পাড়ার মাঠে খেলাধুলা, গাছে ওঠা, সাইকেল চালানো, বন্ধুদের সঙ্গে ছুটে বেড়ানো
  • শিশুর সবচেয়ে বড় প্রতিভা—সে যেন নিরাপদে, আনন্দে এবং নিজের মতো করে বেড়ে উঠতে পারে
  • মনে হবে—মাত্র চার বছর বয়সেই কী অসাধারণ কাণ্ড

সিনেমার পর্দায় সুপারহিরো যা করতে পারে, বাস্তব জীবনে একটি ছোট্ট শিশুর শরীর সেই ঝুঁকি নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়।

শিশুটিকে দেখে অনেকের মনে হতে পারে—এ যেন ছোট্ট এক প্রতিভা, ভবিষ্যতের কোনো বড় তারকা!

আনন্দের এই ভিডিওর আড়ালে হয়তো লুকিয়ে আছে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন—আজকের শিশুরা কি সত্যিই তাদের শৈশব উপভোগ করছে, নাকি চার দেয়ালের ভেতরেই আটকে যাচ্ছে তাদের দুরন্ত শৈশব?

বরং তার এনার্জির জন্য তৈরি করতে হবে নিরাপদ জায়গা, নিরাপদ খেলার সুযোগ এবং পর্যাপ্ত সময়।

স্পাইডারম্যানের মতো দেয়াল বেয়ে উঠে যাচ্ছে, কখনো লাফিয়ে পড়ছে, আবার কখনো সাইকেলের ওপর উঠে দেখাচ্ছে অবিশ্বাস্য সব কসরত।

এখন সেই জায়গা অনেক ক্ষেত্রেই দখল করেছে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার আর চার দেয়ালের জীবন।

শিশু যখন দীর্ঘ সময় ঘরে থাকে, স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলার সুযোগ কমে যায়, তখন তার কৌতূহল ও অতিরিক্ত দুরন্ত প্রাণশক্তি অন্যভাবে প্রকাশ পেতেই পারে যা হয়ে উঠতে পারে দুর্ঘটনারও কারণ।

শিশুকে শুধু ‘দুষ্টু’ বলে থামিয়ে দেওয়া নয়, আবার তার ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিভা’ ভেবে উৎসাহিত করাও নয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।