হাজার জীবনের টিকিট

- কেন বই পড়বেন. বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের যুক্তিটা ছিল অদ্ভুত সুন্দর: একটা বই খুললে কয়েক হাজার বছর আগের কেউ যেন আপনার মাথার ভেতর কথা বলতে শুরু করে
- গেম অব থ্রোনস –এর লেখক জর্জ আর আর মার্টিনের এক চরিত্র আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেছে, বইয়ের পাঠক মরার আগে হাজারটা জীবন যাপন করে
- কোথাও ছোটাছুটি নেই, খেলাধুলা নেই, ঠোঁটে একটি শব্দও নেই
বাস থেকে নামার সময় টের পেলেন, দুই ঘণ্টা তো গেল, অথচ মাথায় কিছুই নেই।
বাইরে হর্ন বাজছে আর ভেতরে আপনি তখন মিসির আলি কিংবা মাসুদ রানার সঙ্গে কোনো অদ্ভুত রহস্যের পিছু ছুটছেন।
বিজ্ঞান বলছে, এই বদল শুধু মনের ভালো লাগার ব্যাপার নয়, বরং তার ছাপ পড়ে শরীর আর মস্তিষ্কেও।
সে কারণেই বোধহয় বিজ্ঞানী কার্ল সাগান বইকে বলেছিলেন জাদুর প্রমাণ।
সে চুপচাপ বসে থাকে, স্রেফ চোখ দুটোই যা একটু এদিক-ওদিক চলে।
নতুন শব্দের অর্থ খোঁজা হচ্ছে, বাক্যের মানে বোঝা হচ্ছে, চরিত্রের মুখ কল্পনা করা হচ্ছে, ঘটনার পরিণতি অনুমান চলছে—একসঙ্গে এতগুলো কাজ।
লেখক ফ্রানজ কাফকা তরুণ বয়সে বন্ধুকে চিঠিতে লিখেছিলেন, বই হওয়া উচিত আমাদের ভেতরের জমাট বরফ-সাগর ভাঙার কুড়াল।
বইয়ের কাজ যদি এমন কুড়ুলের মতো হয়, তাহলে পাঠকের মাথার ভেতর যে তোলপাড় করা শব্দ হবে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বইপড়ার সবচেয়ে চটজলদি উপকারটা দিয়েই শুরু করা যাক—মন শান্ত
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।





