মিথ্যা বলা নিয়ে কোরআন-হাদিসে কঠোর সতর্কতা

- —সহিহ বুখারি, ৬০৯৪ অর্থাৎ মিথ্যাকে শুধু একটি কথার ভুল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটি ধীরে ধীরে মানুষের চরিত্র ও কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে
- কথার মাধ্যমে মানুষ যেমন ভালোবাসা ও বিশ্বাস তৈরি করতে পারে, তেমনি একটি মিথ্যা সেই বিশ্বাস নষ্ট করে দিতে পারে
মিথ্যা ও মুনাফিকির বৈশিষ্ট্য সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুনাফিকের তিনটি নিদর্শনের একটি হলো যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে।
” —সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৭০ পরের আয়াতে বলা হয়েছে, যারা সঠিক কথা বলে, আল্লাহ তাদের কাজ সংশোধন করে দেন এবং তাদের গুনাহ ক্ষমা করেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, একজন মানুষ বারবার মিথ্যা বলতে বলতে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী হিসেবে লিখিত হয়।
—সহিহ বুখারি, ৬০৯৪ এ থেকে বোঝা যায়, বারবার মিথ্যা বলা মানুষের চরিত্রের অংশ হয়ে যেতে পারে।
শুরুতে হয়তো ছোট কোনো বিষয় লুকাতে মিথ্যা বলা হয়, পরে সেটিই অভ্যাসে পরিণত হতে পারে।
বরং হাদিসটি মিথ্যার ভয়াবহতা ও চরিত্রগত ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে।
কাউকে বিভ্রান্ত করা, সত্য গোপন করে এমনভাবে কথা বলা যাতে অন্য ব্যক্তি ভুল ধারণা পায় এসব ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
ব্যক্তিগত সম্পর্ক থেকে শুরু করে পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সমাজ সব জায়গাতেই মিথ্যার প্রভাব পড়ে।
এ কারণে ইসলামে সত্য বলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং মিথ্যা থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
সহিহ বুখারিতে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, সত্য মানুষকে নেকির দিকে নিয়ে যায়, আর নেকি জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়।
অন্য দুটি হলো প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করা এবং আমানতের খেয়ানত করা।
মিথ্যা শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ নয় মিথ্যার বিষয়টি শুধু সরাসরি ভুল কথা বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





