জাতীয়নিশ্চিত

সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়ে তরুণের মৃত্যু

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়ে তরুণের মৃত্যু
এক নজরে
  • সাতক্ষীরা শহরে দোকানদারের সঙ্গে কয়েকজন তরুণের মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়ে এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন
  • সাতক্ষীরা শহরের পশু হাসপাতাল মোড়ে মারামারি ঠেকাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে মো. জাকারিয়া খান (১৯) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন

সাতক্ষীরা শহরের একটি চায়ের দোকানে কথা-কাটাকাটি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জাকারিয়া খান (১৯) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ বলেন, ‘একজন মানুষ অন্যায় থামাতে গিয়ে যদি জীবন হারায়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ অন্যায় দেখেও এগিয়ে আসতে ভয় পাবে।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি খারাপ দেখে দোকানদারকে রক্ষা করতে এবং মারামারি থামাতে এগিয়ে যান জাকারিয়া।

এ সময় চায়ের দোকানদারের সঙ্গে কয়েকজন সন্ত্রাসীর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হচ্ছিল।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

দোকান বন্ধ হওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে একটি জটলা দেখতে পান।

ময়নাতদন্তের জন্য জাকারিয়ার মরদেহ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় জানা গেছে, গতকাল রাত সাড় ১১টার দিকে পশু হাসপাতাল মোড়ে বসে চা খাচ্ছিলেন জাকারিয়া।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের একজন জাকারিয়ার বুকে ও পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

নিহত জাকারিয়া খান সাতক্ষীরা শহরের ঐতিহ্যবাহী রুচিরা বেকারির মালিক আলহাজ্ব আব্দুর গফুর খানের ছেলে।

পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির পারিবারিক জানা যায়, শুক্রবার রাতে জাকারিয়া তাঁর মামার দোকানে গিয়েছিলেন।

আমরা চাই, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।

’ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানান সাতক্ষীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. শহীদুর রহমান।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

3টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।