জাতীয়যাচাই চলছে

সমুদ্রের নোনাপানি খেয়ে কীভাবে বাঁচে তিমি ও সিল

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
সমুদ্রের নোনাপানি খেয়ে কীভাবে বাঁচে তিমি ও সিল — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • অন্যান্য প্রাণীর মতোই এদেরও বেঁচে থাকার জন্য শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখা জরুরি
  • হৃৎপিণ্ডের প্রতীক এল কোথা থেকে, দেখতে এটি হৃৎপিণ্ডের মতো নয় কেন. অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী প্রাণীর পার্থক্য সমুদ্রের অমেরুদণ্ডী প্রাণী স্টারফিশ, জেলিফিশ, লবস্টার ও শামুক-ঝিনুকের দেহের লবণের পরিমাণ আর সাগরের পানির লবণের পরিমাণ প্রায় একই
  • ডলফিন ও তিমিজাতীয় প্রাণীরা এই নোনাপানিতেই বাস করে

ডলফিন, তিমি, ম্যানাটি, সিল ও ওয়ালরাসের মতো অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণী পানিতে বাস করে।

নোনাপানিতে লবণের ঘনত্ব বেশি থাকায় অসমোসিস বা অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় প্রাণীর শরীর থেকে পানি বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়।

শারীরবৃত্তীয় দিক থেকে সমুদ্রে থাকা আর মরুভূমিতে থাকা প্রায় একই কথা।

সাগরের নোনাপানি পেটে গেলে সেখান থেকে লবণ ছেঁকে বের করে দেওয়াই এদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

মাছেরা ফুলকার সাহায্যে রক্তের অতিরিক্ত লবণ ছেঁকে সাগরের পানিতে বের করে দেয়।

এদের বিশেষ কিডনি প্রচুর লবণ ছেঁকে একদম ঘন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়।

ডাঙায় উঠলে কচ্ছপের চোখ দিয়ে যে পানি পড়ে, তা আসলে কান্নার মতো মনে হলেও শরীর থেকে লবণ বের করার স্বাভাবিক নিয়ম।

আবার ইগুয়ানা হাঁচির মাধ্যমে আর সামুদ্রিক সাপ ও কুমির জিবের মাধ্যমে এই অতিরিক্ত লবণ বের করে দেয়।

এআই ‘এক বিলিয়ন’ মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে, সতর্ক করলেন বিল গেটস. নোনাপানিতেও মেটে তৃষ্ণা কিছু প্রাণী ভুল করে নোনাপানি পান করে

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।