আখতার হুসেন বেঁচে থাকবেন তাঁর ছড়ায়, গানে

- সেটি হলো গোপনে তিনি অনেক দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার জন্য আর্থিক সহায়তা দিতেন
- প্রথমটি ছিল রবীন্দ্রসংগীত ‘তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম’
- আলোচকেরা সবাই দীর্ঘ দিন আখতার হুসেনের সঙ্গে খেলাঘরে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন
খেলাঘর আয়োজিত শোকসভায় আলোচকদের কথায় উঠে এল—খেলাঘরের দলীয় সংগীতের গীতিকার, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালের অন্যতম সদস্য আখতার হুসেন প্রয়াত হয়েছেন, তবে তিনি বেঁচে থাকবেন তাঁর গানে, ছড়ায়। শুক্রবার ছুটির দিনের বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের খেলাঘর কার্যালয়ে আয়োজিত শোকসভায় তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কেউ কেউ।
বাংলা একাডেমির পুরস্কারের অর্থ তিনি নারায়ণগঞ্জের এক দরিদ্র পরিবারের কন্যাশিশুর পড়াশোনার জন্য ব্যয় করেছিলেন।
নিজের সামর্থ্য না কুলালে কাছের মানুষদের কাছে হাত পাততেন দরিদ্র পরিবারের শিশুদের পড়ালেখার খরচে সহায়তা করার জন্য।
গান, ছড়াপাঠ, অশ্রুভেজা স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে শিশুসাহিত্যিক, গীতিকার, সাংবাদিক ও শিশু সংগঠক আখতার হুসেনকে স্মরণ করলেন খেলাঘর আসরের প্রবীণ–নবীনেরা।
আখতার হুসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে শোকসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
আখতার হুসেনের সাহিত্য, তাঁর আদর্শ, সাংগঠনিক দক্ষতা থেকে ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছিল আলোচকদের কথামালায়।
খেলাঘরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে শোকসভা শুরু হয়েছিল কেন্দ্রীয় সম্পাদক ফারুক মহসীনের সঞ্চালনায়।
খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা সুলতান স্মৃতিচারণা করেন আখতার হুসেনের লেখা গানের।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





