জাতীয়যাচাই চলছে

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়
এক নজরে
  • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এ হার ৭ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ
  • যুক্তরাজ্যে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন বা স্পনসর লাইসেন্স হারানোর ঝুঁকি এড়াতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়াসহ কয়েকটি দেশের শিক্ষার্থীদের ভর্তির প্রস্তাব প্রত্যাহার করছে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
  • ২২টি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ বা সীমিত থাকার কথা বলা হয়েছে

হোম অফিসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদন প্রত্যাহারের হার দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৯ শতাংশে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৩ শতাংশ।

কোর্স সম্পন্ন করার ন্যূনতম হার বর্তমানে ৮৫ শতাংশ থাকলেও ২০২৭ সালের জুন থেকে তা ৯০ শতাংশ হবে।

এতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য হার ১০ শতাংশের নিচ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশের নিচে নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি ভিসা পাওয়া শিক্ষার্থীদের কোর্সে ভর্তি সম্পন্ন করার ন্যূনতম হার ৯০ থেকে বাড়িয়ে ৯৫ শতাংশ করা হয়েছে।

১০ অক্টোবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

হোম অফিসের অধীন ইউকে ভিসাস অ্যান্ড ইমিগ্রেশন (ইউকেভিআই) গত ১ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কঠোর ‘বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্ট’ নীতিমালা কার্যকর করেছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোম অফিস) শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য হার অর্ধেকে নামিয়ে আনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

নতুন রেড, অ্যাম্বার ও গ্রিন মূল্যায়নব্যবস্থায় শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানকে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে হতে পারে; গুরুতর বা বারবার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে স্পনসর লাইসেন্স বাতিলের ঝুঁকিও রয়েছে।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোর্স বা ক্যাম্পাসে কড়াকড়ি থাকলেও অন্য কোর্সে ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।