জাতীয়নিশ্চিত [A]

নাটোরে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

1 মিনিট পাঠ
নাটোরে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু — ছবি: Presidencia de la República Mexicana (BY)
নাটোরে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু — ছবি: Presidencia de la República Mexicana (BY)

নাটোরের লালপুরে বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো ওই গ্রামের আতিকুল ইসলামের সন্তান আতিয়ারা খাতুন (৯) ও আবু বক্কর (৬)।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে দুটি শিশু বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে ছিল। একপর্যায়ে তারা পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে দুই শিশুকে উদ্ধার করে নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের পক্ষে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের প্রক্রিয়া শুরু করে।

পুলিশ জানান, প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুই শিশুর এমন মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক শোক তৈরি হয়েছে; পাশাপাশি শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও আবারও ভাবনায় পড়েছেন অভিভাবকরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুকুর, ডোবা বা অন্য কোনো জলাশয়ের আশপাশে শিশুদের একা যেতে দেওয়া উচিত নয়। খেলাধুলার সময়ও অভিভাবকদের সতর্ক নজর রাখা জরুরি। প্রতি বছর বিভিন্ন জায়গায় পুকুরে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো দরকার বলে অনেকে মনে করছেন।

পুকুরের চারপাশে বেড়া বা অন্য কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে শিশুদের এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত বলে অনেকে মনে করছেন। প্রতিটি পরিবারে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা; পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের মৃত্যু রোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমেরও পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এ ধরনের মৃত্যুর হিসাব রাখা ও তা কমিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।