প্রাথমিকে বাদ পড়া অধিকাংশ শিক্ষকই নিয়োগ পেলেন, কেউ কেউ এখনো বঞ্চিত

- ময়মনসিংহের মতো দেশের অন্যান্য জেলায় বাদ পড়া অধিকাংশ প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পেয়েছেন
- ময়মনসিংহ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পেয়েছিলেন ২৫৯ জন
এ ছাড়া বরিশালে ২, বরগুনায় ৪, পিরোজপুরে ২, মানিকগঞ্জে ১, সিলেটে ২, শরীয়তপুরে ৩, নীলফামারীতে ১, ঝিনাইদহে ২, কুড়িগ্রামে ১, পঞ্চগড়ে ৬, জামালপুরে ৭, নেত্রকোনায় ৩, ফরিদপুরে ২ ও কুমিল্লায় ৮ জন নিয়োগপত্র পাননি।
যেভাবে জটিলতার শুরু সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা অনশন শুরু করলে গত বুধবার রাত ১২টার পর আরও ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।
শেষ দিন পর্যন্ত কতজন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি, সেই সঠিক তথ্য এখনো জানাতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের যোগদানের শেষ দিন ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুর রহিম কে বলেন, সব তথ্য একত্র করার পর রোববার নাগাদ কতজন যোগদান করেননি সেই তথ্য জানা যাবে।
যে অল্প কিছুসংখ্যক প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।
নিয়ম অনুযায়ী, এরপর যাচাই (ভেরিফিকেশন) করে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়ার কথা।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো




