তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ

- এলাকার সমস্যা আছে, এমন উত্তরদাতাদের ৮৭ দশমিক ৭ শতাংশ মনে করেন
- সচেতন উত্তরদাতাদের মাত্র সাড়ে ৮ শতাংশ বলেছেন, তথ্য চাওয়ার নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়—এটি তাঁরা জানেন
সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও তথ্য অধিকার ফোরামের করা এই জরিপে ৩ হাজার ২০০ নাগরিক অংশ নেন।
জরিপে দেখা যায়, আইন সম্পর্কে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ কখনো না কখনো তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাদের ৯৮ শতাংশ আইনটি সম্পর্কে জানেন বলে জানিয়েছেন।
এ ছাড়া তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ও আপিল কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎকার, আলোচনা সভা এবং তথ্য কমিশনের ১০০টি সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রায় ৬৪ শতাংশ কর্মকর্তা তথ্য অধিকার আইনে আসা আবেদনগুলোর সমন্বিত নথি সংরক্ষণ করেন না।
আবেদন করার নিয়ম বা কোথায় আবেদন করতে হয়, তা না জানা তথ্য না চাওয়ার একটি কারণ।
আইন সম্পর্কে সচেতনতা কিছুটা বাড়লেও তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন, এমন মানুষের হার খুবই কম।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাঁদের এখন বা ভবিষ্যতে তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে।
নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে দেরি, আবেদন গ্রহণে অনীহা, অপ্রয়োজনীয় ফি দাবি ও লিখিত জবাব দিতে না চাওয়া।
বৃহস্পতিবার এমআরডিআইয়ের ফেসবুক পেজে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





