জাতীয়যাচাই চলছে [A]

আঙুলের ছাপ ক্লোন করে গ্রাহকের অজান্তে সিম তুলত চক্রটি, বিক্রি করত অপরাধীদের কাছে: পুলিশ

1 মিনিট পাঠ
আঙুলের ছাপ ক্লোন করে গ্রাহকের অজান্তে সিম তুলত চক্রটি, বিক্রি করত অপরাধীদের কাছে: পুলিশ

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন কার্তিকদিয়া গ্রামের মো. মামুন আলী খাঁ (৩০), মো. জিহাদ বিশ্বাস (২৩) ও মো. লিটু বিশ্বাস ওরফে বাবু (২২)।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রাহকের আঙুলের ছাপ ক্লোন করে নিবন্ধন করা সিম ব্যবহার করে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় থাকতেন।

কোনো গ্রাহক হারানো সিম তুলতে গেলে কিংবা নতুন সিম কিনতে গেলে বায়োমেট্রিক যন্ত্রে আঙুলের ছাপ নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখত চক্রটি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চক্রটি আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করে স্ট্যাম্প তৈরির রাবারে কৃত্রিমভাবে হুবহু নকল ছাপ তৈরি করত।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানে চক্রটির কাছ থেকে একটি ফিঙ্গার স্ক্যানার মেশিন, চারটি ইউএসবি পোর্ট, গ্রামীণফোনের ২১টি অব্যবহৃত সিম, বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ১৪১টি রাবার কিট, প্লাস্টিক পেপারের ওপর বায়োমেট্রিক ছাপযুক্ত ছয়টি নমুনা এবং তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এটি একটি বড় চক্রের অংশ।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের কার্তিকদিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা করেছে।

চক্রটির হাতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সার্ভারের তথ্যও আছে বলে তাঁরা সন্দেহ করছেন।

এসব সিম দিয়ে মোবাইল ফোনে আর্থিক পরিষেবার (এমএফএস) মতো আর্থিক সেবা ব্যবহার করেও জালিয়াতি করা হতো।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2