‘তেলাপোকা’দের ১০ অক্টোবর ‘চলো দিল্লি’ আন্দোলনের ডাক

- দিল্লিতে আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিধানসভা আসনে ৪০ হাজার ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি ৪ হাজার ভোটে হেরে যান বলে দাবি করেন দিপকে
ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্কের জেরে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
গতকাল শুক্রবার রাতে ‘তেলাপোকা’দের দলটির নেতা অভিজিৎ দিপকে এ ঘোষণা দেন।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ককরোচরা দিল্লিতে মিছিল করে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করবে।
’ তিনি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা স্থগিত করা এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের পদ্ধতি নির্ধারণকারী ২০২৩ সালের আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
তামিলনাড়ুতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের আসন থেকে প্রায় ১ লাখ ভোটার বাদ
অনুমতি না পেলেও বিক্ষোভ মুম্বাইয়ের কেন্দ্রস্থলে প্রচণ্ড গরম ও পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ওই বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নেন; যদিও এ কর্মসূচির জন্য পুলিশ অনুমতি দেয়নি।
’ . সিজেপির নেতা আরও বলেন, কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হবে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান—এমন প্রত্যেক নাগরিকের এতে যোগ দেওয়া উচিত।
শিবাজি পার্কের একাংশের বাসিন্দারাও এর বিরোধিতা করেছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড সঙ্গে নিয়ে স্লোগান দেন।
পোস্টারে লেখা ছিল, ‘জ্ঞানু, তোমার কি গণতন্ত্রের ওপর আস্থা নেই?
স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং অন্যান্য সংগঠনের কর্মী ও তরুণেরাও এ বিক্ষোভে অংশ নেন।
পুনের এআইএসএফ-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কর্মীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।
ভোটার তালিকা নিয়ে অভিযোগ সিজেপি নেতা অজিঙ্ক্য শিন্ডে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





