ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে ককরোচ জনতা পার্টি

- পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলার পাশাপাশি সেখান থেকে বেশ কয়েকজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা ও অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়
- বিরোধী দল ও সমালোচকদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা পাইয়ে দিতেই কমিশনারদের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় কারসাজি করা হচ্ছে
- নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নাম বাদ পড়তে পারে
ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্কের জেরে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার মুম্বাইয়ে নতুন করে আন্দোলন করেছে জেন-জি নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই দুই কমিশনার কয়েকটি সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাদের উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করেন।
বিরোধীদের মতে, জটিল ও বিভ্রান্তিকর শর্তের কারণে লাখ লাখ সাধারণ নাগরিক ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।
রাজ্য নির্বাচনের আগে গত বছর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহার থেকে এই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরু হয়, যা পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সম্প্রসারিত হয়।
‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন নামে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় ভোটার যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে যেসব কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
একই দাবিতে দিল্লির বিখ্যাত প্রতিবাদ কেন্দ্র ‘যন্তর মন্তরে’ ছাত্র ও নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর পূর্বঘোষিত এক সমাবেশ রুখে দিয়েছে পুলিশ।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





