১২ বছরে গ্রামীণ ঋণে কৃষির অংশ কমেছে ৯ শতাংশ

- এতে দেখা যায়, ২০১০ সালে সারের পেছনে ব্যয় হতো ঋণের ৪৪ শতাংশ, যা ২০২২ সালে বেড়ে হয় ৫৬ শতাংশ
- ২০১০ সালে গ্রামে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার ব্যাংক থেকে ঋণ নিত
- ৪১ শতাংশ ঋণ গ্রহণকারী পরিবার তাদের মাসিক আয়ের ৪০ শতাংশ কিস্তি পরিশোধে ব্যয় করে
২০১০ সালে গ্রামের ৩৬ শতাংশ পরিবার ঋণ গ্রহণ করত, যা ২০২২ সালে বেড়ে ৪২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বিশেষ অতিথি এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফজলুল কাদের সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এতে তিনি জানান, গ্রাম এলাকায় প্রতি চারটি ঋণের তিনটি নেওয়া হয় বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে।
‘ফিন্যান্সিং ফুড সিস্টেমস ইন বাংলাদেশ: এভিডেন্স অ্যান্ড পলিসি ডায়ালগ’ শীর্ষক এ সংলাপের আয়োজন করে সরকারি গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এবং আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই)।
বিআইডিএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হকের সভাপতিত্বে সংলাপে গ্রামীণ ঋণবাজারের পরিবর্তন, প্রাণিসম্পদ খাতে অর্থায়ন, শহুরে খাদ্য বিক্রেতাদের জন্য আর্থিক পণ্য এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
কৃষিঋণ কোন কোন কাজে ব্যয় করা হয়, সেটিও উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়।
এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে গ্রামে নতুন ব্যবসা, বাড়িঘর তৈরি ও ভোগের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া।
গতকাল সোমবার বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থায় অর্থায়নের সুযোগ, চ্যালেঞ্জ ও নীতিগত করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে এসব বিষয় উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক কাজী ইকবাল।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





