অর্থনীতিনিশ্চিত [A]

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

1 মিনিট পাঠ
বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি — ছবি: প্রথম আলো
বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি — ছবি: প্রথম আলো
এক নজরে
  • বিদ্যুৎ বিতরণ আধুনিকায়নে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি
  • ঢাকা ও আশপাশের শিল্প ও নগর এলাকার বিতরণ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে ঋণ
  • বিতরণ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত

ঢাকা ও আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও নগর এলাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। দ্রুত বাড়ছে যে শিল্প ও নগর এলাকা, সেগুলোর বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর দিকে এই ঋণ কাজ করবে।

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা ও আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও নগর এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি। এই অর্থে বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। রাজধানী ও তার আশপাশের এলাকায় শিল্প ও নগর বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও সক্ষম করাই এ ঋণের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে প্রতিবেদনটি।

প্রথম আলো একই বিষয়ে প্রতিবেদন করে ঋণের পরিমাণ বলেছে ২০ কোটি ডলার; যা মূলত ২০০ মিলিয়ন ডলারেরই সমার্থক। দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ঋণের পরিমাণ, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এবং অর্থায়নের উদ্দেশ্য নিয়ে এক মত তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো আধুনিকায়নের ফলে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়বে বলে প্রতিবেদনগুলোতে জানানো হয়েছে। শিল্প ও নগর এলাকার বাসিন্দা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

তবে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরের নিশ্চিত তারিখ, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সূচি বা কাজ শুরু হওয়ার ক্রম নিয়ে দুই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এডিবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ঘোষণার বিশদ তথ্যও এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

এই সংবাদটি বাংলা ট্রিবিউন ও প্রথম আলোর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যাচাই করা হয়েছে।