জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

- মধ্যরাতে বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য প্রত্যাহারের দাবি
- আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার সময়ে মূল্যবৃদ্ধিতে প্রশ্ন
- সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতি
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার এই সময়ে হঠাৎ মধ্যরাতে বাড়ানো তেলের মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে। দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি মূলত গণপরিবহন ও যাত্রীস্বার্থ নিয়ে কাজ করে থাকে। বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের পাশাপাশি এই সময়ে দেশের বাজারে তেলের মূল্য হঠাৎ বাড়ানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। তাই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের মতো দাবি জানানো হয়েছে। তবে তেলের কোন পণ্যের দাম কত টাকা বাড়ানো হয়েছে, কোন তারিখ থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এসেছে কি না—এসব বিস্তারিত তথ্য দুটি প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়নি।
বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম সাধারণত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নির্ধারিত হয় এবং মূল্য সংশোধনের সময়সূচি ও ভিত্তি প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিনিময় হার ও ভর্তুকির হিসাব বিবেচনা করে প্রতি মাসে মূল্য নির্ধারণের রীতি রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মধ্যরাতে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় নিয়মিত যাত্রীদের উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। ফলে বাস, ট্রাক ও অন্যান্য গণপরিবহনের ভাড়ার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে, এমন উদ্বেগও বিবৃতির সুরে প্রকাশ পেয়েছে। তবে সমিতির পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানের কোনো নির্দিষ্ট হিসাব বা আল্টিমেটামের ঘোষণা প্রতিবেদনে উঠে আসেনি। সংগঠনটির পরবর্তী করণীয় কী হবে, সে বিষয়েও কোনো কর্মসূচি জানানো হয়নি।
এই খবরটি দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলা ট্রিবিউন—দুটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।