ফ্ল্যাটের দাম নাগালে আনতে গৃহঋণ সুদ ৫% চান রিহ্যাব সভাপতি

- এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গ্রাহকপর্যায়ে গৃহঋণের সুদ ৫ শতাংশে নামানো, আবাসন ব্যবসায়ীদের এক অঙ্কের সুদে ঋণ দেওয়া এবং ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি ড. আলী আফজাল
- রিহ্যাব সভাপতির দাবি, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্মাণসামগ্রীর দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বেড়েছিল
- নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ সুদে গৃহঋণ এবং ফ্ল্যাটের ক্রেতা সংকটে চাপে পড়েছে দেশের আবাসন খাত
পরবর্তী সময়ে আরও ১২ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির হার প্রায় ৪৩ শতাংশে পৌঁছেছে।
ফ্ল্যাটের চাহিদা কমে যাওয়ার পেছনে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, গৃহঋণের উচ্চ সুদ এবং বিনিয়োগের অনিশ্চয়তাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
রিহ্যাব সভাপতি জানান, করোনাকাল থেকেই আবাসন খাতের সংকট বাড়তে শুরু করে।
ক্রেতারা আগেই ফ্ল্যাট কেনার চুক্তি করেন এবং কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করেন।
ড. আলী আফজালের ভাষ্য, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু আর্থিক সক্ষমতা থাকলেও ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে দীর্ঘদিন এ চাপ সামাল দেওয়া কঠিন।
কৃষিবিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. আলী আফজালের মতে, আবাসনকে শুধু ব্যবসা হিসেবে দেখলে চলবে না।
মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
চুক্তির পর নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য উপকরণের দাম বেড়ে গেলেও পূর্বনির্ধারিত মূল্যে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা থাকে।
এরই মধ্যে কিছু প্রকল্পের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মীসংখ্যা কমেছে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বিনিয়োগ করা অর্থ ও মুনাফা ফেরত
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





