অর্থনীতিযাচাই চলছে

ঢাকায় টেকসই আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা সম্ভব

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
ঢাকায় টেকসই আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা সম্ভব
এক নজরে
  • এ ছাড়া পরিকল্পনা, নকশা, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প এলাকার তদারকি, মান পরীক্ষা ( কোয়ালিটি টেস্টিং), আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও বিপণনের মতো সব পর্যায়েই আমরা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করছি
  • নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে বর্তমানে কী ধরনের আবাসন প্রকল্প করছেন
  • যেমন স্মার্ট ডোর লক নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি চাবির ওপর নির্ভরতা কমায়, নিরাপত্তা ক্যামেরা নজর রাখতে সাহায্য করে, আর স্মার্ট লাইটিং দৈনন্দিন ব্যবহারে আনে বাড়তি নিয়ন্ত্রণ ও স্বস্তি

এম মাহবুবুর রহমান: নতুন প্রজন্মের কাছে আবাসন মানে শুধু একটি ঠিকানাই নয়, বরং একটি উন্নত জীবনযাপনের চাবিকাঠি।

আমাদের লক্ষ্য—সময়ের চাহিদা পূরণ করে এমন আবাসন তৈরি করা, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনযাত্রার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

দীর্ঘদিন ধরেই আপনারা মানসম্মত আবাসিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন।

এম মাহবুবুর রহমান : বর্তমান সময়ে নির্মাণের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার এখন যুগের চাহিদা।

আমাদের কাজের প্রতিটি পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে কাজগুলো আরও নির্ভুল, স্বচ্ছ ও দক্ষ হচ্ছে সেই সঙ্গে কমছে সময় ও সম্পদের অপচয়।

এম. মাহবুবুর রহমান : স্মার্টহোম প্রযুক্তি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং আধুনিক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপনের একটি কার্যকর অংশ বলেই বিবেচিত হয়।

আমাদের সব অ্যাপার্টমেন্টে স্মার্ট ডোর লক, ভিডিও ডোরফোন, নিরাপত্তা ক্যামেরা, গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর, রিমোট-কন্ট্রোলড লাইট ও ফ্যান এবং স্মার্ট লাইটিংয়ের মতো প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে।

আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ‘বাড়ির মালিকানার অভিজ্ঞতাকে আনন্দময় করে তোলা’।

বাড়ি কেনার অভিজ্ঞতাকে আনন্দময় করে তুলতে এর কোনো বিকল্প নেই।

অ্যাপার্টমেন্টে আপনারা কী স্মার্ট হোম প্রযুক্তির ব্যবহার করছেন?

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।