বাংলাদেশ–ভারত যৌথ কার্যদলের বৈঠক আজ শুরু, যা থাকছে বাণিজ্য আলোচনায়

- বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কার্যদলের আগের বৈঠক হয়েছিল ২০২৩ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায়
- পণ্যের মানদণ্ড নির্ধারণে সমন্বয় ও পারস্পরিক স্বীকৃতি, বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে যৌথ সমীক্ষা ও পেট্রাপোল-বেনাপোল চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ও আলোচনায় ছিল
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানা গেছে, দুই দেশের বাণিজ্য–ঘাটতি কমানো, পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করা আর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কার্যদলের (জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ) বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকে যোগ দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল গতকাল নয়াদিল্লি গেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ বেনাপোল, ভোমরা, সোনামসজিদ, বাংলাবান্ধা ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানির সুবিধা বন্ধ করে দেয়।
স্থলবন্দরের বাধা দূর করা, পাটপণ্যে ভারতের শুল্ক পুনর্বিবেচনা ও আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক করা বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানা গেছে।
বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন শুল্ক এবং ভারতীয় সুতা আমদানিতে বাংলাদেশের বিধিনিষেধও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
আগের বৈঠকগুলোয় স্থলবন্দর ও সমন্বিত সীমান্তচৌকির অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সীমান্ত হাট চালু, রেলপথে পণ্য পরিবহন ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের বড় বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে স্থলবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





