অর্থনীতিনিশ্চিত [A]

শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

1 মিনিট পাঠ
শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন — ছবি: প্রথম আলো
শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন — ছবি: প্রথম আলো

দেশীয় ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারদের সুরক্ষায় শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফা)। এ দাবিতে আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে মানববন্ধন করেছে সংগঠনটি।

প্রথম আলো জানিয়েছে, বিভিন্ন দাবিতে এনবিআরের সামনে মানববন্ধন করেছে বাফা। দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি মালিকানার ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স বন্ধের দাবির পাশাপাশি মোট বিলের ওপর ১ শতাংশ উৎসে কর আরোপের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোকে দেশীয় খাতের প্রতিযোগী হিসেবে দেখছেন না; বরং এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং ব্যবসায় স্থানীয় সংস্থাগুলোর অবস্থান রক্ষাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য। বিদেশি মালিকানা সম্পূর্ণ হলে লাইসেন্স পেতে স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে পেছনে ঠেলার আশঙ্কা তৈরি হয় বলেই তাদের যুক্তি। মোট বিলের ওপর ১ শতাংশ উৎসে কর আরোপের দাবি নিয়ে আসলে সরকারের রাজস্ব আয়েও এই খাত অবদান রাখতে পারবে। সংস্থাটির নেতারা মানববন্ধনে এসব দাবির পক্ষে বক্তব্য রাখেন। ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং সেক্টর বৈদেশিক বাণিজ্যে পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম; দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফলে এই খাত নিয়ে বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা সবসময়ই চলে আসছে।

সংগঠনটির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বাফার নেতারা মানববন্ধনে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানান। সংস্থাটি ভবিষ্যতে আরও আন্দোলন কর্মসূচির আভাস দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণই ছিল এবারের আয়োজনের মূল বার্তা। এই সেক্টরের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হলে দেশীয় কোম্পানিগুলোর বাজার চরম চাপে পড়বে। বাফার মানববন্ধন নিয়ে শিল্পমহলে আলোচনা চলছে; সংগঠনটির পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে এবং এনবিআরের পক্ষ থেকে কী সাড়া আসে, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

এই খবরটি প্রথম আলো ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।