রাজনীতিযাচাই চলছে
ডিএনএ ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ৯৪ শতাংশ পদ ফাঁকা
প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ

এক নজরে
- বৈঠক সূত্র আরও জানায়, সংসদীয় কমিটির একজন সদস্য ডিএনএ ল্যাবরেটরি অধিদপ্তরের জনবল–সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন
- জানা গেছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ২০০৬ সালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রথম ডিএনএ ল্যাব ‘ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি’ প্রতিষ্ঠিত হয়
- সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএনএ ল্যাবরেটরি অধিদপ্তরের দেওয়া নথিতে দেখা গেছে, অনুমোদিত পদের মধ্যে মহাপরিচালক, পরিচালক, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালকসহ কয়েকটি পদে অন্যান্য দপ্তর থেকে সংযুক্তির (সংযুক্তি পদায়ন) মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে
ডিএনএ ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মোট ৬৪টি পদের মধ্যে ৬০টিই শূন্য, যা মোট পদের ৯৪ শতাংশ।
ডিএনএ ল্যাবের একটি সূত্র জানায়, এই জনবল–সংকটের পেছনে মামলাসংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে।
প্রতিবেদনে সংস্থাটি জনবল–সংকট, যানবাহন–সংকট ও নিজস্ব স্থাপনা না থাকাকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
অতীতে প্রকল্পে কাজ করা ৩৪ কর্মকর্তা অধিদপ্তরে আত্তীকরণের জন্য আদালতে মামলা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার পরিচিতিমূলক তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
বিভাগীয় এসব ল্যাবে মূলত নমুনা সংগ্রহ ও স্ক্রিনিং করা হয়।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





