ঢাকায় বাধা, রাউজানে সম্প্রীতি: রোটনকে শেষ বিদায়

- পরিকল্পনা ছিল, ঢাকায় একটি জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রোটনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে
- দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ১০ অক্টোবর, কলকাতার একটি হাসপাতালে মারা যান
- দল-মতের ভিন্নতা ভুলে তার জানাজায় অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা
রাজধানী ঢাকায় জানাজা করতে না পারা ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন শেষ পর্যন্ত নিজ জন্মভূমি চট্টগ্রামের রাউজানে পেলেন শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ বিদায়।
মসজিদ এলাকায় জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হওয়া কয়েকজনের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে; পুলিশ চারজনকে আটক করে।
পরদিন তার মরদেহ ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়।
রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে বাদ আসর জানাজার আয়োজনের কথা ছিল।
জানাজা ও দাফন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
রোটনের বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন জানাজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল সীমান্তে তখন পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার দিবাগত রাত প্রায় দুইটার দিকে মরদেহবাহী গাড়ি রাউজান পৌরসভার গহিরায় বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে পৌঁছায়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রাউজান থানার তথ্য অনুযায়ী, তিন প্লাটুন পুলিশ ও এক প্লাটুন আনসার সদস্য সেখানে মোতায়েন ছিলেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





