জাতীয়যাচাই চলছে [A]

হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার উপায়

1 মিনিট পাঠ
হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার উপায়
এক নজরে
  • যেমন হার্ট অ্যাটাকের পর, পিসিআই বা স্টেন্টিংয়ের পর, বাইপাস সার্জারির পর, করোনারি আর্টাারি ডিজিজ
  • হার্ট অ্যাটাকের পর বেশির ভাগ রোগী মনোবল হারিয়ে ফেলেন
  • কার্ডিওপালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন হলো একটি মেডিক্যালি সুপারভাইজড প্রোগ্রাম, যেখানে রোগীর হার্ট, ফুসফুস, পেশি

প্রয়োজন অনুযায়ী ৬ মিনিট হাঁটার পরীক্ষা, হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ, অক্সিজেন স্যাচুরেশন, শ্বাসকষ্ট ও আরপিই (রেটিং অব পারসিভড এক্সারশন) পর্যবেক্ষণ করা হয়।

হার্ট অ্যাটাক, স্টেন্ট, বাইপাস সার্জারি বা হার্ট ফেইলিউরের পর রোগীর জীবন বদলে যায়।

লক্ষ্য হলো রোগী যেন আবার কর্মক্ষম হয়ে উঠতে পারেন, হাঁটতে পারেন, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে পারেন, বাজার করতে পারেন, নিজের কাজ নিজে করতে পারেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

এ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রোগীর স্বাস্থ্যশিক্ষা, কাউন্সেলিং, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট।

এ ছাড়া ধূমপান বন্ধ করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ জরুরি।

আবার সিওপিডি, অ্যাজমা বা ফুসফুসের রোগে শ্বাসকষ্টের কারণে রোগী নিজেই হাঁটাচলা কমিয়ে দেন।

অনেকে মনে করেন, রিহ্যাবিলিটেশন মানে কিছু ব্যায়াম করানো।

যেমন হাঁটা বা ট্রেডমিল, সাইক্লিং, অ্যারোবিক কন্ডিশনিং, স্ট্রেংথ ট্রেনিং, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি ধাপে ধাপে করা যেতে পারে।

নির্বাচিত রোগীদের ক্ষেত্রে কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন বিবেচনা করা হয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2