জাতীয়নিশ্চিত [A]

বিচার চাই না জবাব চাই, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে: অপ্রতীমের মা

1 মিনিট পাঠ
বিচার চাই না জবাব চাই, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে: অপ্রতীমের মা — ছবি: ||-SAM Nasim-|| (BY)
বিচার চাই না জবাব চাই, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে: অপ্রতীমের মা — ছবি: ||-SAM Nasim-|| (BY)

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

অপ্রতিম হত্যার তদন্তে ইতোমধ্যে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গেই এই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র থাকার বিষয়টি তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের বিষয়গুলো বের করার চেষ্টা চলছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে আহাজারি শুরু করেন মা ড. নাহিদা বেগম। বিচার চাওয়া নয়, তিনি চাইছেন জবাব। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমাকে জবাব দিতে হবে।’ তাঁর ভাষ্যে উঠে এসেছে, ‘কুমিল্লায় চাকরি করতে এসেছি—এটা কি আমার অপরাধ? আমার ছেলেকে কেন হত্যা করা হলো? আমি এর জবাব চাই। আমি এখন কীভাবে বাঁচব।’

একমাত্র সন্তানকে রক্তাক্ত অবস্থায় হারিয়ে ড. নাহিদা বেগম জানান, তিনি এখন কীভাবে বাঁচবেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না। চাকরির কারণে কুমিল্লায় এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো—এ বেদনাই তাঁর কথায় প্রতিফলিত হয়েছে। মায়ের এই আহাজারি ও প্রশ্নগুলো পুরো ঘটনাটিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় এলাকার মানুষের কাছেও এটি সাড়া ফেলেছে। সন্তানহারা মায়ের মুখে ‘জবাব চাই’—এই বাক্যটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত তদন্তের আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মুঠোফোন ছিনতাইয়ের মতো একটি অপরাধের জন্য এক শিশুর প্রাণহানি ঘটার অভিযোগ রীতিমতো আলোড়ন তুলেছে। একমাত্র ছেলেকে হারানো মায়ের আহাজারির বর্ণনা এসেছে একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হচ্ছে সবার পক্ষ থেকে।

এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।