বহিষ্কার হওয়ার এক বছর পর জানা গেল, আম্মার ছাত্রশিবিরের ‘সাথি’ ছিলেন

- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথি ছিলেন রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথীপদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
বুধবার চিঠির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে যুক্তি খণ্ডন করে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
গত বছরের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচনেও আম্মারের নেতৃত্বে শিবির ‘ডামি’ প্যানেল ঘোষণা করেছে বলেও আলোচনা ছিল ক্যাম্পাসে।
পটপরিবর্তনের পর সমন্বয়কদের মধ্যে মেহেদী সজীব, ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজাসহ কয়েকজন ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে প্রকাশ্যে আসেন।
বিশ্ববিদ্যালয় জানা যায়, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সালাহউদ্দিন আম্মার।
এ ছাড়া আরেকটি চিঠিতে শিবিরের জনশক্তিকে তাঁর সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ না রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সাক্ষাতের সময় সালাম বিনিময় না করতে বলা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান।
নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অর্থের বিনিময়ে পদবাণিজ্য, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তিনটি সাংগঠনিক চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
অবশ্য ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকারও করেননি।
ছাত্রশিবিরের পদে থাকার বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি আম্মার।
চিঠিগুলো শিবিরের অফিশিয়াল প্যাডে না থাকলেও শিবিরের বর্তমান দায়িত্বশীল একাধিক নেতা কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 4
- বাংলাদ্রিবিউন-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বাংলা ট্রিবিউন
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





