জাতীয়যাচাই চলছে

প্রবাসে প্রথম

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
প্রবাসে প্রথম
এক নজরে
  • প্রথম একটা পরীক্ষা খারাপ হওয়ার পর কাজল রীতিমতো গবেষণা শুরু করে এবং কিছুদিনের মধ্যে এখানকার পরীক্ষা, সেমিনার, ইন্টারঅ্যাকটিভ পড়ালেখার বিষয়টি আয়ত্ত করে ফেলে
  • যেদিন প্রথম সুইডেনে পা রাখে কাজল, ঝিরঝির বৃষ্টি হচ্ছিল, মালমো থেকে এক সিনিয়র ভাই কাজলকে নিতে আসে রেলস্টেশনে
  • বাংলাদেশি ছাত্ররা মূলত বাংলাদেশি মালিকানায় ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে কাজ খোঁজে প্রথম এখানে এলে

কাজল এমনও শুনেছে, একটি গোটা মুরগি ২০ বছর আগেও ২০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন ২০ বছর পরও ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এক দুই দিন বেশ ঘুমে ঘুমে কাটল, এই বাসায় কাজল এবং তার সিনিয়র পরিচিত বড় ভাই ছাড়াও আরও দুজন বাংলাদেশি ছাত্র ভাড়া থাকে।

হালকা বৃষ্টির মধ্যে সবুজ রঙের বাসে করে মালমো রোজেনগোর্ডের বাসায় পৌঁছায় কাজল।

কাজের কোনো আশ্বাস মেলে না, কয়েক দিন পর লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুর হবে।

কাজল অবাক হয়ে দেখল, কয়েকটি বুথে কনডমও বিতরণ করা হচ্ছে।

একদিন এক বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টে কাজের খোঁজে গেলে মালিক বলেন, ‘আপনারা কেন যে হুটহাট করে এভাবে সুইডেনে চলে আসেন?

কাজকর্ম না পেলেও বছরখানেক থাকা–খাওয়ার খরচ সে চালাতে পারবে, এই বিশ্বাস আছে।

এক বছর পর পর্যাপ্ত ক্রেডিট জমা না হলে সুইডেনের ভিসা এক্সটেনশন হবে না।

কাজল আশপাশের দু–একটা শহর দেখেছে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিটি শহরে একই রকম সুযোগ–সুবিধা পরিলক্ষিত হয়।

কাজল বাসায় পৌঁছে শুরুতে ঢাকায় ফোন করে নিরাপদে আসার খবর জানিয়ে দেয়।

বাসে আসতে আসতে চারপাশে চোখ বুলিয়ে মনে হলো, পরিকল্পিতভাবে সাজানো রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর।

ফ্লাইট ল্যান্ড করার সময় মনে হচ্ছিল, বিমান বুঝি পানিতে নামছে।

দাম কম হওয়ার আরেকটা কারণ, সুইডেনের স্থানীয় মানুষেরা হাড়সহ মাংস খুব একটা পছন্দ করে না।

ছাত্ররা সবাই কমবেশি কাজে এবং পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকে, একবার রান্না করে দুই–তিনবার খেতে হয়।

ছাত্ররা পড়ার পাশাপাশি কাজ করে, যদিও সুইডিশ ভাষা জানা ছাড়া তেমন একটা ভালো কাজের সুযোগ নেই এখানে।

ক্লাস শুরু হলো, অনেক দেশ থেকে ছাত্র–ছাত্রীরা এখানে পড়তে আসে।

যেই ভবনে ক্লাস হয়, তার বিভিন্ন তলায় কফি মেশিন বসানো আছে।

ক্লাসের মাঝখানে যখন লাঞ্চের সময় হয়, বেশির ভাগ ছাত্ররা দল বেঁধে কোথাও খেতে যায়।

’ কাজল একটু অবাক হলো, ‘কাজ দিতে পরলে দেবেন, না দিলে নাই, কিন্তু আপনাদের সঙ্গে কেউ পরামর্শ করে সুইডেনে পড়তে আসবে নাকি?

পরিবার দেশে, তাদের খরচ, এখানে নিজের খরচ, বাবা–মায়ের প্রত্যাশা—সব মিলিয়ে কাজল বেশ চাপে পড়ে গেল।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।