জাতীয়যাচাই চলছে [A]

‘ফাইয়াজের মৃত্যুর পোস্টে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে সৈকত, পরদিন আন্দোলনে গিয়ে সেও মারা যায়’

1 মিনিট পাঠ
‘ফাইয়াজের মৃত্যুর পোস্টে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে সৈকত, পরদিন আন্দোলনে গিয়ে সেও মারা যায়’
এক নজরে
  • সৈকতের বোন সাবরিনা জবানবন্দিতে বলেন, পরদিন আন্দোলনে গিয়ে তাঁর ভাই সৈকতও পুলিশের গুলিতে শহীদ হন

সাবরিনা আফরোজ জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাতে ফেসবুকে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের (সেদিন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারহান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান) খালার একটি পোস্ট ভাইরাল হয়।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারহান ফাইয়াজের গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া নিয়ে তাঁর খালার পোস্ট দেখে মাহামুদুর রহমান সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন সাক্ষী সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী।

পরদিন শুক্রবার (২০২৪ সালের ১৯ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় তাঁর ভাই সৈকত আন্দোলনে যোগ দেন বলে জানান সাবরিনা আফরোজ।

সে পোস্টে লেখা ছিল ফারহান ফাইয়াজ গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।

সৈকতের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয় সেদিন বেলা ৩টা ২৬ মিনিটে উল্লেখ করে জবানবন্দিতে সাবরিনা বলেন, তাঁর ভাইকে তখন বারবার কল করছিলেন তাঁর বাবা।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ আজ বুধবার এমন জবানবন্দি দেন সাবরিনা আফরোজ।

’ . সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সৈকতের লাশ সেদিন রাতে নিয়ে যান বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন সাবরিনা আফরোজ।

কারণ, তাঁদের বাসার নিচে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা অবস্থান করছিলেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2