জাতীয়নিশ্চিত [A]

জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: আইন কর্মকর্তা পদটির কাজ কী?

2 মিনিট পাঠ
এক নজরে
  • সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন
  • সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে, জাইমা রহমানকে একজন ব্যারিস্টার এবং আইন
  • সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এই পদে থাকা ব্যক্তি জাতিসংঘের মূল আইন বিভাগের কর্মকর্তা নন

আবাসন, জনকল্যাণ ও শ্রম আইন বিষয়ে যুক্তরাজ্যে কাজ করা এবং স্বাস্থ্য খাতে আইনি পরামর্শ ও জনসংযোগের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণ ও শিক্ষা আইনের ওপর প্রো বোনো (বিনামূল্যে আইনি সেবা) কাজ করেছেন মিজ রহমান- যা তার অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই কার্যালয়ে মোট ৪০ জনের একটি টিম কাজ করছে।

“তিনি (সভাপতি) যেসব কাজ করবেন তার আইনি দিকগুলোতে সহায়তা করাই লিগ্যাল অফিসারের কাজ।

যেখানে বাংলাদেশের ছয়জনসহ ২৯টি দেশের ছয়টি ভাষাভাষি নাগরিক রয়েছেন, যারা মূলত সভাপতির কার্যালয়ে যে কাজগুলো রয়েছে তারই তদারকি করে থাকেন।

মিজ রহমান কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন ও রাজনীতি বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বলেও ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, রেজুলেশন কীভাবে উত্থাপন হবে, কোনো দেশ পয়েন্ট অব অর্ডার তুললে সভাপতি কী রুলিং দেবেন, একটি প্রস্তাবের সংশোধনী গ্রহণযোগ্য কি না- এসব বিষয়ে সভাপতিকে আইনি পরামর্শ দেন লিগ্যাল অফিসার।

এছাড়া সুশাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, বিচার পাওয়ার অধিকার এবং শিক্ষা ও লিঙ্গসমতা নিয়েও জাইমা রহমানের কাজের আগ্রহ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন, সভাপতি হিসেবে যেসব কাজ খলিলুর রহমান করবেন তার আইনি দিকগুলোই লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দেখভাল করতে হবে জাইমা রহমানকে।

এছাড়া ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে দি অনারেবল সোসাইটি অব দ্য ইনার টেম্পল থেকে সনদ পেয়েছেন মিজ রহমান, যা দেশটিতে ব্যারিস্টারি করার যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।

সাধারণ পরিষদে ওঠা কোনো রেজুলেশন বা প্রস্তাব আগের নিয়ম বা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, বাজেট সংক্রান্ত প্রস্তাবে অন্য কমিটির অনুমোদন লাগবে কি না, লিগ্যাল অফিসার এসব বিষয়ও যাচাই করেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে জাতিসংঘে কর্মরত স্থায়ী কর্মীদের পাশাপাশি নিজের এখতিয়ার থেকে কয়েকজনকে নিয়োগ করতে পারেন সভাপতি।

“এই পদে কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে এটি মূলত সভাপতি হিসেবে যিনি দায়িত্বে থাকবেন তার এখতিয়ার।

সাধারণ পরিষদে অনেক সময় স্পর্শকাতর বিষয়- যেমন ফিলিস্তিন, ইউক্রেন ইস্যু- নিয়ে আলোচনা হয়।

জাতিসংঘের মূল আইন বিভাগসহ অন্যান্য আইনি সংস্থার সাথে সভাপতির কার্যালয়ের সমন্বয় করা এবং সভাপতিকে যদি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা আইনি বিষয়ে বক্তব্য দিতে হয়, তার খসড়া তৈরিতেও সহায়তা করবেন তিনি।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 4

মন্তব্য দেখুন / লিখুন

মন্তব্য লিখতে চাইলে নিচের ঘরে লিখুন। প্রতিটি মন্তব্য যাচাই করার পরেই প্রকাশিত হয়।