গ্রাম থেকে জাতিসংঘের মঞ্চে: ১৪ বছরের মানবিক উদ্যোগের আন্তর্জাতিক যাত্রা

- ফাউন্ডেশনটি বর্তমানে ১৫টি দেশে তাদের ‘ফাইভ জিরো গ্লোবাল ক্যাম্পেইন’ নিয়ে কাজ করছে
- ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সংকট: দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি থেকে টেকসই সমাধানের নতুন আহ্বান, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিসহ’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়
- দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং একটি টেকসই সমাধানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়
বাংলাদেশের একটি গ্রাম থেকে ১৪ বছর আগে শুরু হওয়া মানবিক উদ্যোগ এবার পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি) গত ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘ ও ইউএনজিএ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।
ড. মোস্তফা-হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তারা ইতিমধ্যে মানবিক ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়ার ‘হিউম্যান ইকুইটি সিভিলাইজেশন’ দর্শনের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা, যেখানে প্রত্যেক মানুষ সমান মর্যাদা, সুযোগ, শিক্ষা, প্রয়োজনীয় সম্পদ ও উন্নয়নের অধিকার পাবে।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের হাই-লেভেল উইকের বিভিন্ন কর্মসূচি ও আলোচনায় অংশ নিয়েছে ড. মোস্তফা-হাজেরা ফাউন্ডেশন।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক সহায়তার বিষয়টিও তাদের কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





