জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে 'নিশ্চিহ্ন' করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

- জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ট্রাম্পের
- ইরানের ওপর হামলা না শান্তি চুক্তি—‘বড় সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে ট্রাম্পকে
- সংঘাতের সমাধান না হলে ইরানকে নিশ্চিহ্নের হুঁশিয়ারি, ইত্তেফাকের ভাষায় ‘ধূলিসাৎ’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সংঘাতের সমাধান না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার এই হুঁশিয়ারি তিনি ব্যক্ত করেছেন। বিবিসি বাংলা, দৈনিক ইত্তেফাক ও প্রথম আলোর প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর পুনরায় হামলা চালাবেন নাকি শান্তি চুক্তির পথে এগোবেন—এ বিষয়ে তাকে একটি ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে। পাশাপাশি সংঘাতের সমাধান না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। দৈনিক ইত্তেফাক তাদের শিরোনামে একই হুঁশিয়ারিকে ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুঁশিয়ারি হিসেবে বর্ণনা করেছে। প্রথম আলোও জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকির প্রেক্ষাপটেই খবরটি প্রকাশ করেছে। তিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান হিসেবে উঠে এসেছে।
তবে এই ভাষণের ভিত্তিতে ইরানের ওপর কোন পদক্ষেপ কখন নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে তিন প্রতিবেদনেই কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের শর্ত কী এবং ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কী এসেছে—এসব বিস্তারিতও জানা যায়নি। ট্রাম্পের বক্তৃতার পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপিও প্রকাশ হয়নি, তাই বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট নীতির ঘোষণা দিয়েছেন কি না, তাও স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের কথায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, তবে সামনে কী ঘটবে তা নির্ভর করছে তার সেই ‘বড় সিদ্ধান্তের’ ওপর—প্রতিবেদনগুলো থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া যায়।
এই খবরটি বিবিসি বাংলা, দৈনিক ইত্তেফাক ও প্রথম আলো—তিন প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।