এবার আরামকোর সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

- সৌদি আরবের বিমানবন্দরে কয়েক দফা হামলার পর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর প্রধান কার্যালয়ে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে
- দেশটির পেট্রোলিয়াম কোম্পানির একটি জ্বালানি ডিপোসহ কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালায় তারা
- এতে গত মঙ্গলবার রাতে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে সদর দপ্তরের একটি প্রশাসনিক ভবনে আগুন ধরে যায়
গতকাল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৯১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৬ দশমিক ৬০ ডলারে উঠেছে।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি বলেছে, ধাহরানের আরামকো স্থাপনাসহ সৌদি আরবের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে।
সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে তারা ধাহরানের আরামকো সদর দপ্তর ও রিয়াদের একটি তেল শোধনাগারের কথাও বলেছিল।
মঙ্গলবার হুতিদের হামলার আগে ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট রাজধানী সানার উপকণ্ঠে হামলা চালায়।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনোভো বলেন, হরমুজে জাহাজে হামলা এবং সৌদি-হুতি সংঘাত তেলের
গতকাল বুধবার গোষ্ঠীটি আরও হামলার হুমকি দিয়ে বলেছে, সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা তাদের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’।
গতকাল রয়টার্স জানিয়েছে, গত সোম ও মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত দুটি কনটেইনার জাহাজ অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
হুতিরা এর আগেই হুমকি দিয়েছিল, সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন হামলার ‘কঠোর ও বেদনাদায়ক’ জবাব দেওয়া হবে।
এখান থেকে স্থল ও সমুদ্রের তেলক্ষেত্র, পাইপলাইন, শোধনাগার ও রপ্তানি টার্মিনালের বিশাল নেটওয়ার্ক তদারক করা হয়।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলেছে, হামলার পর ভবনে সীমিত আগুন লাগে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





