জাতীয়নিশ্চিত [A]

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীর মৃত্যু তদন্ত প্রভাবিত করতে ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি

1 মিনিট পাঠ
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীর মৃত্যু তদন্ত প্রভাবিত করতে ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি — ছবি: প্রথম আলো
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীর মৃত্যু তদন্ত প্রভাবিত করতে ঘুষ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি — ছবি: প্রথম আলো
এক নজরে
  • ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)
  • বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগ
  • বাংলাদেশ পুলিশের নথি থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে
  • এএফপির দাবি, বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার

অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক অস্ট্রেলীয় নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত প্রভাবিত করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের নথি থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। প্রথম আলোর শিরোনামে তাঁকে বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে প্রথম আলো ও চ্যানেল আই।

এএফপির দাবি, ওই ব্যক্তি বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে প্রথম আলোর শিরোনামে ঘুষের পরিমাণ ৮০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই এ তথ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে; তবে ঘুষের অঙ্ক দুই জায়গায় দুই ধরনের মুদ্রার হিসাবে দেওয়া হয়েছে। বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ এই গ্রেপ্তার করেছে বলে চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত এসব প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম, ওই নারীর মৃত্যুর কারণ, মৃত্যুর তারিখ ও ঘটা অঞ্চল—কোনোটিরই বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। বাংলাদেশ পুলিশের নথি থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টার বিষয়টি কেন ওই মৃত্যুর তদন্তের সঙ্গে সংযুক্ত, তারও স্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়নি। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছে কি না কিংবা তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তরও প্রতিবেদনগুলোতে নেই। এএফপি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসা পর্যন্ত এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

এই খবরটি প্রথম আলো ও চ্যানেল আই—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।