টাঙ্গাইলে সেতুতে রডের বদলে বাঁশ: প্রকৌশলী বরখাস্ত, দুজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ

- বাসাইলে সেতুর ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনা
- এলজিইডির এক প্রকৌশলী বরখাস্ত
- সাব-ঠিকাদার শাহ আলম গ্রেপ্তার
- আরও দুজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ
টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় এলজিইডির (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ) এক প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাব-কন্ট্রাক্টরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ; আরও দুজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেতুর গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজে এ ধরনের অনিয়মের বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুটির ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ; ঠিকাদারের দায়িত্বে থাকা অন্য দুজনের বিরুদ্ধে শোকজ জারির কথাও জানা গেছে।
যুগান্তরের প্রতিবেদনেও ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে এবং একজনের গ্রেপ্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাঙ্গাইলের বাসাইলে এই অনিয়মের ঘটনায় এলজিইডির এক প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং আরও দুজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো একটি ভিডিও প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে, যেখানে সেতুর এই নির্মাণবিচ্যুতির বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
নির্মাণ প্রকল্পে রডের (ইস্পাত) পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করলে সেতুর ফুটপাত বা কাঠামোর স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমন গুরুতর অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকৌশলী বরখাস্ত, শোকজ ও গ্রেপ্তারসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। সেতুটির এমন নির্মাণ প্রক্রিয়া নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে; চলমান মামলার তদন্তই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।
এই খবরটি প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন ও যুগান্তর—তিনটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।