১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ: ঠিকাদার গ্রেফতার, প্রকৌশলী বরখাস্ত

- বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকার নির্মাণাধীন সেতু
- ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার
- ঘটনায় মামলা, সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেফতার
- প্রকৌশলী বরখাস্ত; দুই সংবাদমাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রতিবেদন
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বাংলা ট্রিবিউন ও যুগান্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ের নির্মাণাধীন সেতুটির ফুটপাতের স্ল্যাব ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সাব-ঠিকাদার শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে। ওই প্রতিবেদনে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বরখাস্তের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
যুগান্তরের প্রতিবেদনেও একই ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। শিরোনামে বলা হয়েছে, ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের ঘটনায় এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুই স্বতন্ত্র সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মূল ঘটনা—একই সেতুর ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার ও একজনকে গ্রেফতার—সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি দুই সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বাঁশ ব্যবহারের ফলে সেতুর কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা প্রকল্পের কাজ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে—এমন বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এটিও স্পষ্ট নয় যে মামলায় আরও কেউ আসামি হয়েছেন কি না। সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক হালনাগাদ প্রকাশ পেলে সেতুটির নির্মাণ পরিস্থিতি এবং কাঠামোগত ঝুঁকি নিয়ে আরও তথ্য জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রডের বদলে বাঁশ ব্যবহারের মতো নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী সেতুর স্ল্যাব ঢালাইয়ে ব্যবহারের ঘটনাকে গুরুতর হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও বিস্তারিত ফলাফল প্রকাশ পেলে দায়ীদের ব্যাপারে আইনানুগ পদক্ষেপ আরও স্পষ্ট হবে।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও যুগান্তর—দুটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।