জাতীয়নিশ্চিত [A]

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

1 মিনিট পাঠ
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক — যাচাইডেস্ক
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী
  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক
  • মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ. হুসেইন মোহামেদ লতিফের সঙ্গে পৃথক বৈঠক
  • দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের স্বতন্ত্র প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলাদা সাইডলাইন বৈঠক করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ. হুসেইন মোহামেদ লতিফ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পৃথক সাইডলাইন বৈঠক করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনেও একই তথ্য রয়েছে—মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সাইডলাইন বৈঠক হয়েছে।

দুই প্রতিবেদনের শিরোনাম ও বর্ণনায় মূল তথ্য একই—প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই দেশের শীর্ষ নেতার পৃথক সাইডলাইন বৈঠক। স্বতন্ত্র দুই সংবাদমাধ্যম একই দিনে একই তথ্য প্রকাশ করায় বিষয়টির সত্যতা শক্তিশালী হয়েছে। তবে কোনো প্রতিবেদনেই বৈঠক দুটিতে কী কী বিষয় আলোচনা হয়েছে বা কোনো চুক্তি বা যৌথ ঘোষণা এসেছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। এজেন্ডা বা ফলাফলের আনুষ্ঠানিক হালনাগাদ দিলে বৈঠক দুটির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে বিশ্ব নেতাদের মধ্যে ধরন-ধরনের দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠক হয়। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠককে দেশটির নিয়মিত কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে প্রতিবেদনগুলোতে। দুই শীর্ষ নেতার সফর ও বৈঠকের সময়সূচির কোনো বিরোধিতাও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

এই খবরটি চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউন—দুটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।