জাতীয়নিশ্চিত [A]

স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, কী আলোচনা হলো

1 মিনিট পাঠ
স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, কী আলোচনা হলো — ছবি: প্রথম আলো
স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, কী আলোচনা হলো — ছবি: প্রথম আলো
এক নজরে
  • স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য নিশ্চিত
  • চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে: স্পিকার

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত মেয়াদ শেষে দেশে ফেরার আগে স্পিকারের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন স্পিকার। দেশটিকে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বিদায়ী কূটনীতিকের সঙ্গে এ ধরনের সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও ভবিষ্যতের সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই সাক্ষাতের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে; এর মধ্যে প্রথম আলো সাক্ষাতের বিষয়বস্তু নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটির এই সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের নানা উন্নয়ন প্রকল্পে দেখা যায়। বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূতের কার্যকাল শেষ হওয়ায় এই বিদায়ী সাক্ষাতে দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতাই মূলত উঠে এসেছে বলে সংসদ সচিবালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বহুমাত্রিক; এর ধারাবাহিকতা দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নিয়মিত যোগাযোগে প্রতিফলিত হয়। বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের এই সাক্ষাতকে সেই সম্পর্কেরই একটি অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল। স্পিকারের মন্তব্যে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনা সহযোগিতার গুরুত্ব যে প্রশাসন আগামীতেও অগ্রাধিকার দেবে, তা-ও ইঙ্গিত করে। ফলে বাংলাদেশে চীনের কূটনৈতিক মিশনের আস্থা ও সহযোগিতার চর্চা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই খবরটি যুগান্তর ও প্রথম আলো—দুটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।