অ্যাম্বুলেন্সে মেয়ের লাশ, বাইরে বাবার আর্তনাদ, ‘বুকের ভেতর আগলে রেখেছিলাম তোরে’

- পুলিশ ও পরিবার জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে শিমুলের সঙ্গে চন্দনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে
- ঘটনার আগের দিনও নির্যাতনের শিকার হয়ে চন্দনা বাবার বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন
- কখনও অ্যাম্বুলেন্সের জানালা দিয়ে মেয়ের মুখের দিকে তাকাচ্ছিলেন, কখনও স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন
বারবার অ্যাম্বুলেন্সের জানালা দিয়ে মেয়ের লাশের দিকে তাকাচ্ছিলেন, আবার স্বজনদের দিকে ফিরে আহাজারি করছিলেন।
’ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মেয়ের লাশের পাশে দাঁড়িয়ে এভাবেই বিলাপ করছিলেন বাবা তেজেন্দ্র দাশ।
আজ সকালে উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকায় টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছন থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত চন্দনার পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করেছেন তাঁর স্বামী।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর কে বলেন, শুক্রবার সকালে টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনে এক নারীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার রাজবংশী কে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো
- বাংলাদ্রিবিউন-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ বাংলা ট্রিবিউন





