ডেঙ্গু নিয়েই পরীক্ষায় বসেছিল সাবরিন, পেয়েছে জিপিএ–৫

- আজ শুক্রবার মাদারীপুরে শিখো– জিপিএ–৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সেই কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতার কথা জানাল সে
আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, ও বন্ধুসভা।
‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।
’ র আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা।
সংবর্ধনার মাদারীপুর পর্ব আয়োজন করা হয় সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণ।
’ মেয়েকে নিয়ে ৪০ কিলোমিটার দূরের শিবচর থেকে সংবর্ধনা নিতে আসেন রেজাউল করিম।
মেয়েকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলেন বাবা গোলাম রসুল।
ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারব কি না, তা নিয়ে চিন্তা ছিল।
সকাল সাড়ে আটটা বাজার আগেই সাবরিনের মতো কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।
স্কুলজীবনের কাছের বন্ধু ও সহপাঠীদের দেখে কেউ কেউ জড়িয়ে ধরছিল।
চতুর্থ শ্রেণি থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা করে আসা দুই বান্ধবী উম্মে হানি ও মিমি রহমান সেলফি তুলছিল।
এ সময় মিমি রহমান বলে, ‘আমার দুই বান্ধবী ক্লাস ফোর থেকে একসঙ্গে আছি।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





