জাতীয়নিশ্চিত [A]

চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

1 মিনিট পাঠ
চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম — ছবি: প্রথম আলো
চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম — ছবি: প্রথম আলো
এক নজরে
  • গাজী নজরুল ইসলাম ৪ দিনের রিমান্ডে
  • প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমের ১ দিনের রিমান্ড
  • দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুকে ঘিরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই আদেশ আসে। কালের কণ্ঠ, বাংলা ট্রিবিউন, প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল, দৈনিক ইত্তেফাকসহ একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এই মামলা করা হয়। জামায়াতে ইসলামীর কথিত বহিষ্কৃত এই নেতার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রথমে পুলিশ গাজী নজরুল ও মাকসুদা বেগম উভয়ের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়েছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার আদালতে সেই আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গাজী নজরুলের চার দিনের ও মাকসুদা বেগমের একদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। পুলিশ গাজী নজরুলকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।

আদালত প্রাঙ্গণে গাজী নজরুলের আইনজীবী দাবি করেছেন, তাঁর মক্কেল সম্পূর্ণ নির্দোষ; এটা একটি দুর্ঘটনা মাত্র। তবে রিমান্ডে কী কী প্রশ্ন করা হবে, মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে তদন্তে কী তথ্য পাওয়া গেছে এবং গাজী নজরুলের বক্তব্য আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সংসদ সদস্য পদে এর প্রভাব বা দলীয় অবস্থান নিয়েও কোনো মন্তব্য প্রকাশ পায়নি। ঘটনাটির পরবর্তী শুনানি কবে হবে এবং রিমান্ড শেষে তাঁদের আবার আদালতে হাজির করা হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। তবে মূল ঘটনা—গাজী নজরুলের ৪ দিন ও মাকসুদা বেগমের ১ দিনের রিমান্ড—একাধিক স্বাধীন সূত্রে একইভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

এই খবরটি কালের কণ্ঠ, বাংলা ট্রিবিউন, প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল ও দৈনিক ইত্তেফাকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।