জাতীয়যাচাই চলছে

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদকে স্মরণ করল পটিয়া বন্ধুসভা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদকে স্মরণ করল পটিয়া বন্ধুসভা — যাচাইডেস্ক
এক নজরে
  • আবদুল করিম ১১টি প্রাচীন বাংলা গ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছেন
  • এ উপলক্ষে সাহিত্যবিশারদের সমাধিস্থলে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে পটিয়া বন্ধুসভা

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ (১১ অক্টোবর ১৮৭১—৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩) ছিলেন ব্রিটিশ ভারত ও পূর্ব পাকিস্তানের একজন বাঙালি সাহিত্যিক।

’ . এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও পটিয়া প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক, পটিয়া বন্ধুসভার সভাপতি আইরিন সুলতানা, সাধারণ সম্পাদক রিজুয়ান, বন্ধু রাশেদুল্লাহ, আহনাফ হাসনাইন, আব্দুল্লাহ মুহী ও আবদুল হাসনাতসহ অনেকে।

পুষ্পমালা অর্পণের পর আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের নিজ বাড়ি পটিয়া সুচক্রদণ্ডী ‘সাহিত্যবিশারদ ভবনে’ বন্ধুদের আলোচনা সভা হয়।

বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান পুঁথিগবেষক, পুঁথি সংগ্রহ ও সাহিত্যের ঐতিহ্য অন্বেষণকারী অন্যতম ব্যক্তিত্ব মনীষী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ।

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯২০-২১ সালে দুই খণ্ডে তাঁর লেখা বাংলা পুঁথির তালিকা ‘বাঙালা প্রাচীন পুঁথির বিবরণ’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

উপস্থিত ছিলেন আবদুল করিমের পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য কাঞ্চন।

পূর্বে অজ্ঞাত ছিলেন, এমন প্রায় ১০০ জন মুসলিম কবিকে তিনি পরিচিত করেন।

পাশাপাশি হিন্দু কবিদের পুঁথিগুলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রক্ষিত আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে রক্ষিত পুঁথির তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ‘পুঁথি পরিচিতি’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।

এ ছাড়া তিনি ও মুহম্মদ এনামুল হক যৌথভাবে আরাকান রাজসভায় ‘বাঙ্গালা সাহিত্য’ শিরোনামে গ্রন্থ রচনা করেছেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।