জাতীয়যাচাই চলছে

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০২৬: কমবে বিদেশমুখীতা, সাশ্রয় হবে চিকিৎসা ব্যয়

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০২৬: কমবে বিদেশমুখীতা, সাশ্রয় হবে চিকিৎসা ব্যয়
এক নজরে
  • নিঃস্বার্থবাদী দাতা নির্ধারণ ও অনুমতি প্রদান কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-২০২৬ পাসের ফলে দেশে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনে নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে
  • কে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে পারবেন আইন অনুযায়ী, সুস্থ ও স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন যেকোনো জীবিত ব্যক্তি তার কোনো অঙ্গ বিযুক্তির ফলে যদি নিজের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটার ঝুঁকি না থাকে, তাহলে তা নিকটাত্মীয়ের দেহে সংযোজনের জন্য দান করতে পারবেন
  • পাস হওয়া আইন অনুযায়ী, কেবল সরকারের অনুমতি গ্রহণ সাপেক্ষে অনুমোদিত নির্দিষ্ট হাসপাতালগুলোই মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে

‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন-২০২৬’-এ নিকটাত্মীয়ের বাইরে ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা নিঃস্বার্থবাদী দাতার অঙ্গ দানের আইনি সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশে লিভার ও কিডনির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপনে নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

আইনে ইমোশনাল ডোনারের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পর অনেকেই আমাদের কাছে অ্যাপ্লিকেশন করছেন।

গত ১০ আগস্ট বিএমইউতে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ থেকে পাওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারি অনুদানের অর্থে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ছয়টি লিভার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা.

একই শর্তে নিঃস্বার্থবাদী দাতারাও (ইমোশনাল ডোনার) নিকটাত্মীয়ের বাইরের কোনো গ্রহীতাকে অঙ্গ দান করতে পারবেন।

কারণ আইন যদি আপনাকে সুরক্ষা দেয়, তাহলে কিন্তু কোনো কাজ করতে আর বাধা থাকে না।

আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে দেশে যদি কিডনি, লিভার প্রতিস্থাপন (ট্রান্সপ্লান্ট) অধিক হারে হতে থাকে, তাহলে এসব চিকিৎসায় বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমবে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।