জাতীয়নিশ্চিত

আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত নিয়ে আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি চায় ইউএই

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত নিয়ে আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি চায় ইউএই
এক নজরে
  • আত্মসাৎ করা অর্থ বাংলাদেশে কয়েকটি কোম্পানিতে বিনিয়োগের অভিযোগ ঘিরে সংশ্লিষ্ট শেয়ার বাজেয়াপ্ত সম্পর্কিত আপিল দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা চেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)
  • আত্মসাৎ করা অর্থের একটি বড় অংশ বাংলাদেশে পাচার করে তিনটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি আমিরাতের
  • অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকার সময় তিনি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং অর্থের একটি অংশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা হয়

বাংলাদেশে ওই তিন কোম্পানির একটিতে ৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার, অন্যটিতে ২ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ এবং অপর কোম্পানিতে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৮০টি শেয়ার রয়েছে বলে জানা গেছে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী বলেন, খাতের মাসাদ রাস আল-খাইমাহ বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের সিইও থাকাকালে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল-খাইমাহ বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের সাবেক নির্বাহী ডা. খাতের মাসাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে চলমান মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।

’ . নথিপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৪ মে ইউএইর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির (এমএলএটি) আওতায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে সহায়তা চায়।

হাইকোর্ট ২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মাসাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন এবং নথি তলব করেন।

মাসাদের করা আপিলের ওপর শুনানি হয় এবং হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ গত ৯ আগস্ট সেটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন বলে জানান

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স চুক্তির আওতায় ২০১৮ সালের ১৪ মে রাস আল-খাইমাহ সরকার বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।

বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি আরও কর্মী নেওয়ার বিষয়টি উদার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার কথাও বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকার আদালত শেয়ারগুলো বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন।

জানা যায়, ডা. খাতের মাসাদ ২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাস আল-খাইমাহ বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছিলেন।

ব্যবসায়ী খাতের মাসাদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাস আল-খাইমাহ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির (আরএআইএ) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস বলেছেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে আমি রাষ্ট্রদূতকে বলেছি যে সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউএইকে এবং আরএআইএকে সহযোগিতার জন্য আমাদের যে উদ্যোগ, তা অব্যাহত থাকবে এবং আরও গতিশীল হবে।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

আরও পড়ুন