জাতীয়নিশ্চিত [A]

জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে চাকরি, ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ

1 মিনিট পাঠ
জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে চাকরি, ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ — ছবি: WordRidden (BY)
জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে চাকরি, ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ — ছবি: WordRidden (BY)

জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে চাকরি নেওয়ায় এক কর্মচারীকে বেতন-ভাতার ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০০৭ সালের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টে অফিস সহায়ক পদে চাকরি নেন মোহাম্মদ গোলাম মাওলা। ১৯ বছর পর তার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এমন গুরুতর অভিযোগে ২০২১ সালে গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। বিভাগীয় তদন্তে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বেতন-ভাতার টাকা ফেরত আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারি চাকরিতে সনদ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নিয়োগ হয়। কিন্তু জাল সনদ জমা দিয়ে চাকরি পাওয়ার এ ধরনের ঘটনা মাঝে মধ্যে সামনে আসে। এতে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি করা হয়।

আদালতের এই নির্দেশকে অনেকে কর্তৃপক্ষের সততা নিশ্চিত করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। জাল সনদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি দীর্ঘদিন চাকরি করলেও শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় অন্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও সতর্কতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে যে, নিয়োগের সময় সনদ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কঠোরতা জরুরি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে জাল সনদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এ ধরনের অনিয়ম আগে থেকেই ধরার প্রয়াস চলছে।

বেতন-ভাতার ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়ে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা নিয়ে আইনজীবী ও সরকারি কর্মচারী মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ রায় জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে থাকা বিভাগীয় মামলায় রায় অনুযায়ীই আদালত এ নির্দেশ দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের ইস্যুতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর মনোভাব দেখাতে পারে কর্তৃপক্ষ।

এই খবরটি একাধিক বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।