জাতীয়যাচাই চলছে

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ
এক নজরে
  • প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার এ বছরের আগস্টে উৎপাদনকারীদের একটি নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়
  • এ জন্য ‘উৎপাদনকারীর বর্ধিত দায়িত্ব বা ইপিআর-২০২৬’ নামের একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়
  • প্লাস্টিক খাতে এসব উদ্যোগ কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়েও মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার তাগিদ এসেছে একটি সেমিনার থেকে।

সেমিনারে উৎপাদকের বর্ধিত দায়িত্ব বা ইপিআর (পণ্য ব্যবহারের পর তৈরি হওয়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারীর দায়িত্ব), সম্পদ সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য নকশা নিয়ে আলোচনা হয়।

আকিজ প্লাস্টিকস, এক্সোপ্লাস্ট ও আরএফএল গ্রুপের টেল প্লাস্টিকের প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা জানান।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো) যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা একটি উপস্থাপনা দেন।

ইপিআর কার্যকর করতে সরকার, উৎপাদক ও অন্যান্য অংশীজনের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা মতবিনিময় করেন।

দিনের পরের অধিবেশনগুলোতে শিল্পকারখানায় সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বর্জ্য কমানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

এ বিষয়ে এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিক, প্রাণ-আরএফএল ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের প্রতিনিধিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

একই সঙ্গে এ খাতে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।