সাতক্ষীরায় মুক্তা–পুঁতি, পাটের আঁশ, তিল-কিশমিশে প্রতিমার সাজ

- আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে ৩৫ হাজার মুক্তা–পুঁতিতে সাজানো হয়েছে ১৩টি প্রতিমা
- ৪০ কেজি তিল, ১০ কেজি কিশমিশ আর ১০ জন কারিগর নিয়ে নেমে পড়েছেন কাজে
- দক্ষিণ বড়দল গ্রামের প্রতিমাশিল্পী প্রকাশ মণ্ডল জানান, তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন শিল্পী ও কারিগর প্রায় ৫২ দিন ধরে কাঠামো তৈরি, মাটির কাজ, রং আর মুক্তা–পুঁতির কারুকাজ করেছেন
১৩টি প্রতিমায় লেগেছে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা–পুঁতি, যার জন্য রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে প্রায় এক লাখ টাকার পুঁতি কেনা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গামন্দিরে প্রতিমার গা থেকে একে একে খুলে ফেলা হয়েছে দেশলাইয়ের কাঠি।
দেড় লাখের বেশি দেশলাইয়ের কাঠি ও রেশমি সুতায় সাজানো এই প্রতিমা ভক্তদের মন কেড়েছিল।
গত মঙ্গলবার বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে মন্দিরটিতে গিয়ে দেখা যায়, শেষ মুহূর্তের কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা।
‘প্রতিবছর প্রতিমায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি আমরা,’ বলেন প্রকাশ মণ্ডল।
প্রতিমাশিল্পী নবদ্বীপ সরকার বলেন, ‘এত অল্প সময়ে নতুন সাজ তৈরি করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।
শুধু ব্রহ্মরাজপুরে নয়, এবার সাতক্ষীরার বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা সাজাতে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রচলিত উপকরণের বাইরের জিনিস।
দেবী দুর্গার পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, মহিষাসুর, এমনকি সিংহও বাদ যায়নি।
সোনালি মুকুট ও রঙিন অলংকারের সঙ্গে সাদা মুক্তার আভা প্রতিমাগুলোকে দিয়েছে আলাদা রূপ।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো



