হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১০৫৭

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই হিসাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে চ্যানেল আই, দেশ রূপান্তর, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাক জানিয়েছে।
সমস্ত প্রতিবেদনই একমত যে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৫৭ জনে পৌঁছেছে। বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০১ জন ও হামের উপসর্গে ৯৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে; সব মিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ৫৭। চ্যানেল আই জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ধরে রাখা এই হিসাবে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশ রূপান্তরও একই সংখ্যা উল্লেখ করেছে।
একই পরিসংখ্যানের উল্লেখ চারটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই থাকায় তথ্যটি বহুস্তরীয় যাচাই পেরিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু সেই ঝুঁকির কথা আবারও সামনে এনে দেয়, যা মাসের পর মাস ধরে চলা এই প্রাণহানির ধারায় নতুন সংযোজন। নিশ্চিত হামে মৃতের চেয়ে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় রোগ শনাক্তকরণ ও জটিলতা মোকাবিলায় বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি হয়ে উঠেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত এই পরিসংখ্যান প্রকাশে হামের বিস্তার নিয়ে ভিন্ন চিত্র উঠে আসছে। দেশজুড়ে এই প্রাণহানির ধারা বন্ধে সংগঠিত উদ্যোগের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা; টিকাদান কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো গেলে হাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে বলে পর্যবেক্ষকদের প্রত্যাশা। মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ জনে দাঁড়ানো ইঙ্গিত দেয়, মহামারির মাত্রা এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ পরিস্থিতিতে বাবা-মা ও অভিভাবকদের কাছে শিশুদের নিয়মিত টিকা প্রদান নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একটানা বাড়তে থাকা মৃত্যুর পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই খবরটি চ্যানেল আই, দেশ রূপান্তর, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।