ট্রাইব্যুনাল আইন হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, সেখানে আ.লীগ আমলের ঘটনা নিয়ে আসা হয়েছে: মনসুরুল হক চৌধুরী

- ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ পুনর্গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল
- দুই বছর পূর্তিতে ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) কথা বলেছে
গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন করা হয়েছিল যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সহযোগীদের বিচার করার জন্য।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্তি হয়েছে বুধবার।
বিচারকাজে সহযোগিতা করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ, আসামিপক্ষের আইনজীবী, আসামিসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিন শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে কথা বলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।
২০১০ সালে সংশোধন হলো, তারপর এখন যে ট্রাইব্যুনালের প্রক্রিয়া, সেটি ২০২৪ সালের পর সংশোধন করা হয়েছে।
পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তিতে ট্রাইব্যুনালে কী আলোচনা হয়েছে, তা রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ সাংবাদিকদের জানায়।
১৯৭৩ সালে যে উদ্দেশ্য নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল, সেই আইনটা চলমান ছিল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের হয়ে আইনি লড়াই করছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।
এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও কয়েকটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





