জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধ: মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় উসকানির অভিযোগে মাকসুদ কামাল ও জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এসব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে এবং পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সমকালও মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে।
দেশ রূপান্তর জানিয়েছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সমকাল-সহ তিনটি সংবাদমাধ্যম মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মামলা দায়ের হয়েছে।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ ধরনের মামলায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার ঘটনা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে; অনেকেই মনে করছেন, আন্দোলনের ঘটনাগুলোর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষাবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ব্যক্তিদের এই মামলায় নাম আসায় শিক্ষাঙ্গনেও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী পদক্ষেপ, পলাতকদের ধরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ও শুনানির তারিখ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ ধরনের মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় আসে, ফলে প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করছেন অনেকে। আন্দোলনের সময়কার ঘটনার সাক্ষীরা আদালতে সাক্ষ্য দিলে মামলার ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই খবরটি চ্যানেল আই, বাংলা ট্রিবিউন, সমকাল ও দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।