জাতীয়নিশ্চিত [A]

উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

1 মিনিট পাঠ
উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা — ছবি: ToGa Wanderings (BY)
উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা — ছবি: ToGa Wanderings (BY)
এক নজরে
  • উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত
  • আগের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি
  • দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত 'সর্বাত্মক শাটডাউন' চলবে

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আগের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার বিকালে আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, অবস্থান কর্মসূচি চলমান আছে; পাশাপাশি ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীদের দাবি একটাই—উপাচার্য পদে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম উপাচার্যের দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। খবর জানার পরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা; রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্বাধীনতা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, পরে প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগানো হয়।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা মূল ফটকে তালা দিয়ে শুরু করেন ‘কমপ্লিট শাটডাউন’। ফলে এদিন চুয়েটে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হয়নি; প্রশাসনিক ভবনেও কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি বলে কোনো একাডেমিক কার্যক্রম শুরু সম্ভব হয়নি; প্রশাসনিক ভবনে তালা থাকায় প্রশাসনিক কাজও বন্ধ। চুয়েট শিক্ষক সমিতিও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়ে মানববন্ধন করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে নিরাপত্তা শাখা ও মেডিকেল সেবা এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। বুধবার সকাল থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে ব্যাচসহ সব শিক্ষার্থীর গণ-অবস্থান ও বিক্ষোভেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিন বেলা দেড়টার দিকে সদ্য সাবেক উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে আন্দোলনকারীরা মূল ফটকের তালা খুলে দেন। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনভর একাডেমিক কার্যক্রম থমকে ছিল।

এই খবরটি বিডিনিউজ২৪ ও বাংলা ট্রিবিউন—দুটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।