জাতীয়যাচাই চলছে

ছিনতাইয়ের কৌশল ‘ইলেকট্রিক শক’ দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি কী সত্য

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
ফ্যাক্ট চেকসব যাচাই →

ছিনতাইয়ের কৌশল ‘ইলেকট্রিক শক’ দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি কী সত্য

যাচাই করা যায়নিযাচাই:

নির্ভরযোগ্য সূত্রে দাবিটি যাচাই করা যায়নি।

এক নজরে
  • প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল ‘ইলেকট্রিক শক’ দাবিতে ভিডিওটি গণমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মসহ শুধু ফেসবুকেই ৭০টির বেশি পেজ ও প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা হয়েছে
  • কোথাও দাবি করা হচ্ছে, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল হিসেবে ‘ইলেকট্রিক শক’ ব্যবহার করা হচ্ছে

ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল ‘ইলেকট্রিক শক’ শিরোনামে ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাধিক প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিওটির শিরোনামে লেখা রয়েছে, ‘টাকা চাইতে আসা ভবঘুরে ছেলেটি যুবকের সঙ্গে যা করেছে, তা দেখে নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না!

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি যাচাই করে দেখা যায়, এটি কোনো বাস্তব ঘটনার দৃশ্য নয়।

’ ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ভিডিওটির ট্যাগ করা শব্দগুলোর মধ্যেও ‘সচেতনতা’ শব্দটি রয়েছে।

‘The Ghumakkad’ ফেসবুক পেজ থেকে গত ৬ অক্টোবর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

কিছু গণমাধ্যমও একই ধরনের শিরোনামে তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিডিওটি প্রচার করছে।

ভারতের ‘The Ghumakkad’ নামক ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সাজানো ভিডিওর একটি খণ্ডিত অংশকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

এ সময় এক ভবঘুরে ছেলে পেছন থেকে এসে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে।

কিছুক্ষণ পর যুবকটি অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন এবং বারবার ঘাড়ে হাত দেন।

অস্বস্তি তীব্র হলে তিনি পাশের একটি মোটরসাইকেলের ওপর ব্যাগ রেখে পেছনে কী ঘটেছে, তা বোঝার চেষ্টা করেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।